ব্লগিং কি? ব্লগিং থেকে টাকা আয় করার উপায়

হাই, বন্ধুরা, আশা করি ভালো আছেন। আপনি কি একজন blogger হতে চান? এবং খুজছেন কীভাবে আপনি ২০২১ -এ blogging শুরু করবেন?
কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন

যদি হ্যাঁ, তবে আপনার অনুসন্ধানের চূড়ান্ত অবসান ঘটবে এই ব্লগ পোস্টটি পড়ার পর।


আমি আপনার প্রথম ব্লগ শুরু করার জন্য যা যা দরকার তা সবই এই পোস্টে যুক্ত করেছি যাতে সহজেই আপনি একজন সফল ব্লগার হতে পারেন।


আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, কেন লোকেরা ২০২১ সালে এসেও ব্লগ শুরু করার পরিকল্পনা করছে এবং সম্ভবত আপনিও তাদের মতোই একটি নতুন ব্লগ শুরু করার জন্য চিন্তাভাবনা করছেন।


আপনাদের মধ্যে প্রত্যেকেরই ব্লগ শুরু করার জন্য নিজস্ব কারণ থাকতে পারে। তবে সবচেয়ে প্রধান কারণ হলো তা থেকে সহজে অর্থ উপার্জন।


তবে ব্লগিং কিন্তু এতোটাও সহজ নই যেমনটা অন্য ব্লগাররা বলে। আবার, এতোটাও কঠিনও নয়, যে আপনার কাছে ব্লগিং অসম্ভব মনে হবে।


আসলে ব্লগিং জিনিসটা হচ্ছে বুঝার বিষয় এবং প্রয়োজন বুঝে সঠিক সময় সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার।


আর আপনাকে ব্লগিং এর সকল fundamental সঠিকভাবে বুঝানোর জন্যই তৈরি করেছি এই ব্লগিং মাস্টার গাইড, যেখানে আপনি ব্লগিং নিয়ে আপনার সকল সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন।


এই মাস্টার গাইডটি আপনাকে beginner থেকে advanced পদক্ষেপের মাধ্যমে কীভাবে কোনো ব্লগ শুরু করতে হবে তার একটি পূণাঙ্গ ধারণা দেব।


এই পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে আপনি যা যা জানতে পারবেন :

  • ব্লগ কি?
  • ব্লগিং কি?
  • কেন আপনার ব্লগিং শুরু করা উচিৎ এবং কেন উচিৎ নয়?
  • ব্লগ Niche কি?
  • ব্লগিং করার জন্য কেন ব্লগিং niche প্রয়োজন?
  • Niche ব্লগিং কি?
  • Micro Niche ব্লগিং কি?
  • Single Niche VS Multi-Niche ব্লগিং VS Micro Niche ব্লগিং
  • কিভাবে সহজে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায় (ফ্রি VS পেইড)
  • কিভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য perfect domain name এবং web hosting খুজে বের করবেন?
  • Blogger VS Wordpress, কোন CMS টি বেছে নেবেন?
  • SEO কি? কিভাবে আপনার ব্লগের SEO করবেন?
  • কিভাবে আপনি ব্লগ পোস্ট idea খুঁজে বের করবেন?
  • কিভাবে একটি SEO friendly আর্টিকেল লিখবেন?
  • কিভাবে ওয়েবসাইটকে প্রমোট করবেন?
  • কিভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে অর্থ উপার্জন করবেন?


ব্লগিং আপনার জীবন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে। ব্লগিং করে আপনি যে জীবনের স্বপ্ন দেখেন তা বাস্তব করতে পারবেন।


হ্যাঁ, আপনি ঠিক শুনেছেন।


আপনি যদি ব্লগিং সম্পর্কে উৎসাহী হন এবং আপনি যদি ব্লগিংকে ব্যবসা হিসাবে বিবেচনা করেন, তাহলে অবশ্যই, আপনি ব্লগিং শুরু করার কয়েক বছরের মধ্যেই একটি বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে পারবেন।


বিশ্বাস হচ্ছে না?


বাস্তব জীবনের কিছু প্রমাণ দেখুন যারা শুধু ব্লগিং করে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা আয় করছেন : -

  • Neil Patel : Neil patel একজন জনপ্রিয় এবং সফল ব্লগার, seo expart এবং ডিজিটাল মার্কেটার

    তিনি কিছু জনপ্রিয় website KissMatrix, Crazy Egg এবং Neil Patel এর প্রতিষ্ঠা করেন।

    তিনি ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে blogging industry তে কাজ করছেন। Nail Patel এর net worth হলো $30 million ডলার। তিনি আনুমানিক প্রতি বছর $3 million আয় করেন।

    Neil Patel এর income report check করেন।

  • Matthew Woodward : Matthew Woodward হলেন একজন SEO expert এবং একজন internet marketer।

    তিনি MatthewWoodward.co.uk এর প্রতিষ্ঠাতা। এখানে তিনি SEO, link building, traffic generation সম্পর্কে লেখেন।

    তিনি ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই field এ আছেন। তার শুধু মাত্র ডিসেম্বর ২০১৭ সালে $২৮,৪২৯ আয় করেন।

    Matthew Woodward এর income report check করেন।

  • John Lee Dumas : John Lee Dumas 5 বছরেরও বেশি সময় ধরে Entrepreneurs On Fire নামে একটি blog চালাচ্ছেন।


    তিনি তার পডকাস্টে সমস্ত বড় বড় উদ্যোক্তাদের interview নেন এবং ব্যবসায়ের কাজ শুরু করার জন্য স্মার্ট কৌশল বের করেন।

    তিনি ডিসেম্বর 2017 এ $2,10,291 এরও বেশি উপার্জন করেছেন।

    Entrepreneurs On Fire এর Income Report check করেন।


আপনি কি একটি জিনিস লক্ষ্য করেছেন যা তাদের সকলের মধ্যেই লক্ষ্যণীয়? আর তা হলো ব্লগিং শেখার এবং SEO এর দক্ষতা অর্জনের জন্য তারা পর্যাপ্ত সময় ব্যায় করেছে।


আপনি যদি এটা শুনে খুব excited হন, তবে চিন্তা করবেন না, এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন তাহলে আপনিও এদের মতো কিভাবে আয় করতে পারবেন তার স্পষ্ট ধারণা পেয়ে যাবেন।


যখন আমি আমার ব্লগিং শুরু করেছি তখন আমাকে ইন্টারনেটে অনেক খুঁজা-খুঁজি করতে হয়েছে, কিভাবে একটি ব্লগ তৈরি করব, কিভাবে ইন্টারনেটে তা পাবলিশ করব, কিভাবে ব্লগে অডিয়েন্স আনব, কিভাবে এটিকে জনপ্রিয় করব আরো কত কি।


আর এর জন্য আমার অনেক ভিন্ন ভিন্ন ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের পোস্ট পড়তে হয়েছে, দেখতে হয়েছে হাজারো ভিডিও। আর এতে প্রচুর পরিমানে সময় ব্যায় করতে হয়েছে। আপনিও যখন ব্লগিং শুরু করবেন আপনাকেও এই সকল বিষয়ের সঠিক ধারণা থাকতে হবে।


আজ ব্লগিং সম্পর্কে ইন্টারনেটে এমন অনেক পোস্ট রয়েছে যে নতুন ব্লগার কোথা থেকে শুরু করবে তা ভেবেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।


এই সমস্যাটি কাটিয়ে উঠতে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি এই ব্লগিং মাস্টার গাইড, যেখানে আপনার মতো পাঠকরা, এই গাইড অনুসরণ করে খুব সহজেই একটি নতুন ব্লগ শুরু করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে তা থেকে ভালো পরিমাণে আয় করতে পারবেন।


আরও পড়ুনঃ অনলাইনে আয় করার উপায়


কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন : step by step গাইড

আপনি ব্লগিং শুরু করার আগে আপনার ব্লগিং এর মৌলিক বিষয়গুলি সম্পর্কে বিষদ ধারণা থাকা খুব জরুরি।


আর তাই, আমি মোট ১১টি পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ গাইড তৈরি করেছি, যা ব্লগিং রিলেটেড প্রতিটি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে এবং যা আপনাকে ব্লগিংয়ের উপর দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।


আপনার যদি এই গাইডটি সম্পূর্ণ পড়ার সময় না থাকে তবে ভবিষ্যতে পড়ার জন্য এই পৃষ্ঠাটি bookmark করে রাখতে পারেন। কিম্তু ব্লগিং শিখতে চাইলে আমি প্রতিটি step ভালো ভাবে অনুসরণ করার পরামর্শ দেব।


মনে রাখবেন ৯১% এর বেশি প্রকাশিত ব্লল পোস্ট কখনই সার্চ রেজাল্টে আসতে পারেনা এবং organic trafficও পায় না।


তবে, আমি বিশ্বাস করি আপনি যদি এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়েন এবং ভালো ভাবে বুঝতে পারেন তবে আপনি এই ৯১% ব্লগারের বাইরে চলে যাবেন, যারা নিজের ওয়েবসাইটে কোনো organic traffic পাচ্ছেন না।


এর জন্য সবার প্রথমে জানা যাক ব্লগ কি এবং ব্লগিং কি?


What is Blog? ব্লগ কি?

আপনাকে প্রথমে ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।


ওয়েবসাইট হলো স্ট্যাটিক অথবা ডাইনামিক ওয়েবপেজ, যেখানে আপনি সময়ে সময়ে সামান্য কিছু পরিবর্তন দেখতে পাবেন এবং এটি প্রধানত কোনো ব্যবসায়িক পণ্য বা সার্ভিসকে উপস্থাপন করার জন্য তৈরি করা হয়।


আর ব্লগ হলো এক ধরণের ওয়েবসাইট। ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে একমাত্র আসল পার্থক্য হলো ব্লগগুলি নিয়মিতভাবে নতুন নতুন তথ্য শেয়ার করে।


একটি ব্লগ হলো "ওয়েবলগ" এর একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ। ব্লগ হলো একটি অনলাইন জার্নাল যা কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা পৃথক পৃথক বিষয়ে তথ্য প্রদর্শন করে।


ব্লগ নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করার জন্য তৈরি করা হয় এবং আপনি দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে ব্লগে সময়োপযোগী পরিবর্তনগুলো দেখতে পাবেন।


ব্লগের পোস্টগুলো ধারাবাহিক ভাবে উপস্থাপন করা হয়, যেখানে latest post গুলো সবার উপর ক্রমানুক্রমিকভাবে সাজানো থাকে।


What  is Blogging? ব্লগিং কি?

যদি আপনি কোনো ব্লগ শুরু করতে ইচ্ছুক হন, তবে কৌশলগুলি শেখার বা বাস্তবায়নের সেই প্রক্রিয়াটিই ব্লগিং হিসাবে পরিচিত।


সাধারণভাবে, ব্লগিং আপনার ব্লগ তৈরি এবং কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আপনার শেখা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা শুরু করার একটি পদ্ধতি।


যার অর্থ, আপনি বিশ্বব্যাপী দর্শকদের জন্য পাঠক বান্ধব কন্টেন্ট তৈরি করবেন এবং এর বিনিময়ে আপনার ব্লগে আয় করার সুযোগ পাবেন।


ব্লগ থেকে আয় করা যায় এটি জেনে কি আপনি উৎসাহিত!!!


হ্যাঁ, ব্লগ আপনাকে অন্যের মতো মিলিয়ন ডলার আয় করতে সাহায্য করতে পারে এবং এটি নিয়ে এই গাইডে আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করব। তবে এর আগে জেনে নেই কেন আমাদের ব্লগিং শুরু করা উচিৎ আর কেখন করা উচিৎ নয়


কেন আপনার blogging শুরু করা উচিৎ

  1. ব্র্যান্ড পরিচয়ঃ একটি blog থাকার অর্থ আপনার কাছে কোনো অনলাইন বিশেষ বিজ্ঞাপন লেখার বা প্রচারের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিজেকে পরিচিত করার সুযোগ রয়েছে।

    নতুন দক্ষতা শেখার পাশাপাশি আপনি কোনও বিষয় সম্পর্কে যত বেশি লিখবেন, ততই আপনি এ সম্পর্কে অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন। আপনার এই অভিজ্ঞতা হওয়া আপনার অনলাইন ব্র্যান্ডটি তৈরি করতে আরো সহায়তা করবে।

    পাঠকদের মান সম্মত content প্রদান করার মাধ্যমে আপনি শীঘ্রই আপনার industry তে পরিচিতি লাভ করতে পারবেন।

    আপনার brand তৈরির মাধ্যমে আপনি আপনার blog কে একটি অন্য প্রর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন, যেখানে আপনার সকল audience আপনার উপর বিশ্বাস করবে এবং আপনাকে অনুসরণ করবে।

  2. নতুন বিষয়ে দক্ষতা অর্জনঃ আমি যখন blogging শুরু করেছি তখন আমি এটি করেছও শুধু মাত্র আমার কৌতুহল এর জন্য।

    কিন্তু blogging শুরু করার কিছু দিনের মধ্যই আমাকে এর পাশাপাশি আরো অন্যান্য জিনিস শিখতে হয়েছে যেমনঃ website ডিজাইন, SEO, content লেখা, social media অপটিমাইজেশন, হোস্টিং, ডোমেইন, ই-মেইল মার্কেটিং ইত্যাদি।

  3. আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে : এটিই কেবলমাত্র বিষয় না যা আপনি blogging করার সময় শিখতে পারেন এমন আরও অনেক বিষয় আছে যা আপনি সময়ের সাথে সাথে শিখতে পাটেন। আপনি যে বিষয়বস্তু সম্পর্কে post লিখেছেন তা আপনার জ্ঞানও বৃদ্ধি করে।

    একটি উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টিআপনাকে বুঝাই, আমি একটি ছোট ব্লগের জন্য ফিনান্স সম্পর্কে লিখতে কিছু ব্যয় করেছি। এটি এখন এমন একটি বিষয় যা সম্পর্কে আমি অনেক কিছুই আমি জানি যা আমি আমার কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও ব্যবহার করতে পারব।

  4. লেখার অভিজ্ঞতা বাড়াতে : একটি বিষয় যা আপনি কখনোই অমান্য করতে পারবেন না তাহলো একটি blog শুরু করে আপনার লেখার ক্ষমতাকে অনেক improve করতে পারবেন।

    শুরুতে লেখার বিষয় এবং পদ্ধতি অনেক অদ্ভুত বা বিশ্রি লাগতে পারে। তবে আপনি সময়ের সাথে সাথে লক্ষ্য করবেন যে এটি আরও সহজ হয়ে উঠছে। শব্দগুলি আরও বেশি দক্ষতার সাথে প্রবাহিত হবে এবং আপনি এমন একটি স্টাইল গড়ে তুলবেন যা আপনার অনন্য।

    Content লেখার মাধ্যমে, লোকেরা কী প্রতিক্রিয়া জানায় সে সম্পর্কেও আপনি ভাল ধারণা পাবেন। লোকেরা কী পড়তে পছন্দ করে সে সম্পর্কে আপনাকে আরও লিখতে সহায়তা করে এটি আপনার সৃজনশীলতাকে প্রসারিত করে। এবং পরিবর্তে, এটি আপনাকে আরো ভালো content লিখতে সহায়তা করবে।

  5. অর্থ উপার্জন : এটিই হয়তো একমাত্র পয়েন্ট যাতে আপনি সম্ভবত সবচেয়ে বেশি আগ্রহী। এটি হলো blogging এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন। হ্যাঁ, আপনার blog এর মাধ্যমে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন, অনেক লোকই তা করছে।

    এটি সম্ভব, তবে এটি সহজ নয়।

    Blogger হিসাবে আপনি যেসব লোককে সফলতা এবং অর্থ উপার্জন করতে দেখছেন তারা বছরের পর বছর ধরে তাদের কাজকে সম্মান ও গুরুত্ব দিয়েছে। সেই সময়ের মধ্যে কী কাজ করে আর কি কাজ করে না তা দেখার জন্য তারা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছে এবং এখনো পরীক্ষা করে যাচ্ছেন।

    এর মাধ্যমে তারা কিভাবে কাজ করলে অধিক অর্থ উপার্জন করা যায় আর কি করলে income কমে যায় এ বিষয়ে বিষদ ধারণা অর্জন করে। এবং এর মাধ্যমে তারা তাদের আয়কে অনেক বৃদ্ধি করে।

    ব্লগের মালিক হিসাবে, আপনিও যদি অধিক অর্থ উপার্জন করতে চান তবে আপনাকে আপনার blog এ অধিক সময় দিতে হবে এবং কিভাবে আপনি আপনার আয়কে বাড়াতে পারেন তা জানতে হবে।


কেন আপনার blogging শুরু করা উচিৎ নয়

  1. লেখার জন্য সময় নেই : Blogging করতে আপনার যথেষ্ট পরিমাণে ধৈর্য এবং সময়ের দরকার যাতে আপনি এমন একটি content লিখতে পারেন যা আপনার audience এর সকল queries পূরণ করে এবং আপনার audience যা সহজেই বুঝতে পারে।

    আপনার কাছে যদি লেখার সময় না থাকে এবং সিনেমা দেখা বা গেমস খেলতে ব্যস্ত থাকেন তবে আমি আপনাকে blog শুরু করা থেকে দূরে থাকা উচিৎ।

  2. Blogging সহজ নয় : ব্লগ চালানো পানির মতো সহজ সরল নয়। সফল blogger রা এটিকে সহজ দেখায়, তবে আমরা খুব কমই পর্দার আড়ালে কী ঘটছে তা দেখি।

    দুর্দান্ত গ্রাফিক্স এবং চট জলদি লেখার পিছনে রয়েছে মানসিক চাপ, উত্তেজনা এবং দীর্ঘদিনের চেষ্টার ফল।

    কোনও blog এর সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য, নিজেকে একটি ordinary job এর চেয়ে আরও বেশি ঘন্টা কাজ করার মনোভাব এবং প্রচেষ্টা রাখতে হবে। এবং এই সময়গুলি আপনি সন্ধ্যা এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বের করতে পারেন, যখন সাধারণত আপনি relax থাকেন।

  3. নির্দিষ্ট আয় নেই : অনেক blogger আছেন যারা সামান্য পরিমাণে অর্থের জন্য বলছেন blogging এর মধ্যমে রাতা-রাতি বড়লোক হওয়া যায়।

    কিন্তু আসল কথা হলো কোনো কাজই সহজ নয় এবু কোনো কাজেই আপনি রাতা-রাতি বড়লোক হতে পারবেন না। Blogging -এ ও এর কোনো বিকল্প নেই।

    Blogging দ্রুত অর্থ তৈরির কোনও পথ নয়। এবং যদি আপনি শুধু ধ্রুত অর্থ উপার্জন এর কথা ভেবপ কোনো blog শুরু করেন তবে আপনি কখনোই সফল হতে পারবেন না।

    যেমনটি আমি আগেই উল্লেখ করেছি, আপনার blog থেকে জীবিকা নির্বাহের জন্য পর্যাপ্ত সময়, পরিকল্পনা এবং কঠোর পরিশ্রম লাগে।

    এমনকি আপনি যদি নিজের blog থেকে জীবিকা নির্বাহ শুরু করেন তবুও আপনার জন্য এর সকল বিষয় আয়ত্ত করা কঠিন হবে।

    তাই তখনই আপনার office work টি ছেড়ে যাবেন না, কারণ আপনার ব্লগের আয় উঠা নামা করবে, কোনো নির্দিষ্ট amount আসবে না। কিছু মাস আপনি ভাল করতে পারেন, আবার কিছু মাস আপনার income কম হতে পারে।

    এমন অনেক blogger আছেন যারা বছরের পর বছর ধরে সত্যিই ভাল আয় করছে - তারা তাদের blog এ পুরো সময় কাজ করতে পারপ।

    এটি সহজ এবং এটিই blogging জীবনের অংশ। আপনি যদি এই ওঠানামার জন্য প্রস্তুত থাকেন তবে সম্ভবত blogging কে full time job হিসাবে চালিয়ে নেওয়া সবচেয়ে ভাল হবে।

  4. Passive income করতে চান না : আপনি যদি উপরে কিছু উদাহরণ দেখে থাকেন তবে লোকেরা মিলিয়ন ডলার আয় করছে এবং এমনকি আপনিও করতে পারবেন। তবে আপনি যদি বর্তমান জীবন নিয়ে খুশি হন এবং অতিরিক্ত উপার্জন করতে চান না তবে আমি আপনাকে কোনও blog শুরু করার পরামর্শ দেব না।

  5. Brand নিয়ে উদ্বেগ নন : Blogging এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী audience এর কাছে আপনার বিশেষ দক্ষতা বা বিশেষ বিষয়ে দক্ষতার স্বীকৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আপনি যদি নিজের এবং পরিবারের বন্ধুদের সাথে খুশি হন এবং বিশ্বব্যাপি কোনো brand তৈরি করতে না চাম তবে আমি আপনাকে কোনও blog শুরু করার পরামর্শ দেব না।


আপনি যদি blogging এর সুবিধাগুলির কোনও একটি বা একাধিক সুবিধার সমর্থন করেন এবং blogging শুরু করতে আগ্রহী হন, তবে এখানে আমি আপনাকে একটি blog কীভাবে শুরু করতে হবে তা সম্পর্কে বিষদ ধারণা দেব। যাতে আপনি আপনার ব্যায়িত সামান্য পরিমাণ সময়, অর্থ এবং প্রচেষ্টাকে মিলিয়ন ডলারে রূপান্তর করতে পারেন।


Blog Niche কি?


Blog Niche হচ্ছে একটি category বা যে কোনও শিল্প এবং অন্য কথায় আপনি এটিকে একটি নির্দিষ্ট বিষয় হিসাবে ভাবতে পারেন যার আশেপাশে আপনার সাইটটি টার্গেট করা হয়েছে।


এক কথায় বলতে গেলে, Blog Niche হচ্ছে এমন একটি বিষয় যা সম্পর্কে বা যাকে নিয়ে আপনি আপনার ব্লগে লেখেন।


বিষয়টি একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝাই, মনে করেন আপনার একটি blog আছে যেখানে আপনি technology নিয়ে লেখেন। তাহলে আপনার blog niche হলো techbology।


এরকমই যদি আপনি health নিয়ে লেখেন তাহলে আপনার blog niche হলো health। আবার যদি food নিয়ে লেখেন তাহলে আপনার blog niche হলো food।


তাহলে বলা যায় blog niche হলো আপনার blog এর একটি নির্দিষ্ট বিষয় যা নিয়ে আপনি আপনার blog এ লেখা-লেখি করেন বা করতে চান।


Blogging করার জন্য কেন Blog Niche প্রয়োজন?


কেন একটি Blog Niche বের করা এতো গুরুত্বপূর্ণ?


প্রথমত, আপনার একটি ব্লগের প্রয়োজন কেন? সম্ভবত অর্থোপার্জন!


তাহলে আপনার কেন Blog Niche প্রয়োজন? উত্তরটি হলো: তা সম্পর্কে আপনার ব্লগে লেখার জন্য।


একটি ব্লগের উদ্দেশ্য অন্যদের কাছে আপনার চিন্তাভাবনা এবং ধারণা তুলে ধরা বা প্রকাশ করা!


Right?


তবে আপনার মনে randomly যাই আসে সেগুলি আপনি share করতে পারবেন না।


আপনার কোনো Blog Niche বাছাই করার জন্য কোনো বিধিনিষেধ নেই তবে রিসার্চার্চরা প্রমাণ করেছে যে Blog Niche যত বেশি dedicated, আপনি তত দ্রুত র‌্যাঙ্ক করতে পারবেন।


আমি বোঝাতে চাইছি যে আমি যদি "কীভাবে ব্যবসা বৃদ্ধি করতে পারি" এই niche নিয়ে ব্লগ করছি তবে অন্যান্য বড় সংস্থাগুলির তুলনায় আমাকে একাধিকবার ব্যয় করতে হবে এবং অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে।


কারণ এটি একটি সত্যই অনেক বড় এবং উচ্চ প্রতিযোগিতা মূলক niche। এই niche এ আরও অনেক বিভাগ আছে।


এই niche এ আরও কিছু নির্দিষ্ট বিষয় রয়েছে যেমন: বিক্রয়, অর্থোপার্জন, বিপণন, SEO ইত্যাদি।


সুতরাং সবসময়ই আপনাকে আপনার niche এর গভীরে যেতপ হবে এবং আপনার ব্লগ শুরু করতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সন্ধান করতে হবে।


আমি আশা করি আপনি বিষয়টি বুঝতে পেয়েছি!


যাইহোক, এটির কোনো নিশ্চয়তা নেই যে লোকেরা আপনার ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচিত niche এর content পছন্দ করবে।


তবে আপনি যদি উচ্চ-চাহিদাযুক্ত কোনো niche নিয়ে blog তৈরি করেন এবং লোকেরা আপনার content কে প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ মনে করে তবে আপনার audiences এর জন্য আপনার ব্লগের content দেখার অনেক বেশি সুযোগ রয়েছে।


এখন, সমস্যাটি হলো প্রত্যেকেরই ধারণা এবং চিন্তাভাবনা আলাদা।


আমি আপনাকে আমার একটি ব্লগের গল্প বলি:


আমি প্রথমে আমার যে ব্লগটি শুরু করেছিলাম তা ছিল ভিডিও গেমসের সম্পর্কে। আমি আমার ব্লগে এক বছর ধরে চেষ্টা করছিলাম।


আমি হাজার হাজার অন্যান্য বড় বড় ওয়েবসাইট এবং ব্লগের সাথে প্রতিযোগিতা করে ভিডিও গেমগুলিতে আগ্রহী এমন সমস্ত audience এর জন্য content লিখছিলাম তবে আমি জানতাম না যে জিনিসগুলি আমার জন্য কোনো কাজ করছে না!


তাহলে কি বুঝলে?


আপনার যতটা সম্ভব কম প্রতিযোগিতা মূলক niche এর উপর ব্লগ শুরু করা উচিত।


গেমিং niche অনেক ব্যাপক। সেই বাজারে একজন নতুন ব্লগারের সাফল্যের সুযোগ খুবই কম।


সুতরাং, আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছিলাম। এবং আমি আমার blog টি "ভিডিও গেমস" এর একটি micro niche বিভাগে স্থানান্তরিত করেছি যা শুটিং গেমস এবং গেমিং কৌশলগুলির মতো ছিল।


Niche Blogging কি?


Niche blogging হলো blogging এর একটি প্রকারভেদ। আপনি যদি আপনার blog এ কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে লেখা লেখি করেন, ঐ বিষয় ছারা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে লেখেন না, এটাই হলো Niche Blogging


Niche Blogging কে আবার ৩ টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলোঃ- General Niche, Multi Niche, Micro Niche


Single Niche blogging কি?


Single Niche blog-ই হলো সবচেয়ে সুবিধা জনক blogging। কারণ এতে আপনার content খকনো কম পড়বে না।


আবার আপনাকে audience খুজতেও কোনো সমস্যা হবে না। কারণ Single Niche blogging এ আপনি কোনো একটা নির্দিষ্ট audience এর জন্য লিখবেন।


যদি আপনি কোনও নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আগ্রহী হন তবে আপনার পক্ষে সেই বিষয়টি সম্পর্কে অনেকগুলি ব্লগ পোস্ট লিখতে খুব একটা সমস্যা হবে না। যদি আমরা আমাদের ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জনের কথা বলি তবে Single Niche Blogging এটির জন্য খুব উপকারী।


Multi Niche Blogging কি?


একটি Multi Niche Blogging হলো এমন একটি blog যেখানে আপনি নিজের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো কিছু সম্পর্কেই লিখতে পারেন বা কেবল মজা করার জন্যও করতে পারেন।


আপনি যদি আপনার blog এ শুধু blogging সম্পর্কে লেখেন বা technology সম্পর্কে লেখেন বা শুধুই health and fitness সম্পর্কে লেখেন তবে তা Multi Niche blogging নয়।


কিন্তু আপনি যদি আপনার blog এ কয়েকটি blogging post publish করেন আবার কিছু দিন পর technology related content publish করেন আবার কিছু health related content লেখেন তবে এটা হবে Multi Niche Blogging


এখানে এমন অনেক blogger রয়েছেন যারা অনলাইনে অর্থোপার্জনের জন্য Multi Niche Blog চালাচ্ছেন এবং সত্যিকার অর্থে প্রচুর অর্থোপার্জন করছেন।


তবে এটি একটি কঠিন কাজ এবং এটি অর্থ আয়ের জন্য কোনো permanent উপায় নয়। তাই আমি কোনো beggainer কে Multi Niche Blogging শুরু করার পরামর্শ দিচ্ছিনা।


Micro Niche Blogging কি?


কোনো blog এর একটি Single Niche কে যদি আরো কয়েকটি অংশে ভাগ করা হয় তাহলে এর একটি ক্ষুদ্র অংশ কে নিয়ে blogging করাই হলো Micro Niche Blogging


বিষয়টি আরো ভালোভাবে বুঝার জন্য একটি উদাহরণ দেখা যাকঃ


Smart phone নিয়ে কোনো blog তৈরি করলে সেটাকে বলতে পারেন Niche Blogging। কিন্তু যদি আমরা এর আরো ভেতরে ঢুকি তাহলে শুধু মাত্র samsung phone নিয়ে লেখতে পারি এবং একে বলে Micro Niche Blogging বলতে পারেন।


Single Niche VS Multi Niche VS Micro Niche Blogging


Blogging করার প্রয়োজন পর্যাপ্ত সময় এবং dedication। আমরা বিভিন্ন প্রকারের blog খুলতে পারি, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে আমরা content লিখতে। আর এই বিষয়ের উপর ভিত্তি করেই আমরা ৩ blog খুলতে পারি।


আপনি যদি আপনার একটি blog -য়েই বিভিন্ন বিষয়ে লিখি যেমন একটি blog -য়েই যদি health, howto, tech, food ইত্যাদি নিয়ে লেখি তবে তা হবে Multi Niche blogging


আবার যদি আপনি আপনার blog এ শুধুমাত্র health বা food কিংবা tech নিয়ে লেখি তবে তা হবে Single Niche Blogging


আবার যদি আপনি আপনার blog এ health কে নিয়ে না লিখে একে আরো ছোট খণ্ডে ভাগ করে শুধুমাত্র back pain কিংবা শুধুমাত্র yoga for kids নিয়ে লেখি তবে তা হবে Micro Niche Blogging


আপনি যদি আপনার ব্লগের জন্য profitable Niche খুঁজে নিতে চান তাহলে আপনি আমাদের detailed পোস্টটি পড়তে পারেন। এখনে কিভাবে আপনি আপনার ব্লগের জন্য niche খুঁজে বের করবেন তার ব্যাখ্যা দিয়েছি, সাথে সাথে ১০০+ niche idea ও উল্লেখ করা হয়েছে।


কিভাবে সহজে keyword research করা যায় (Free VS Paid)?


সঠিক Keyword হলো blogging -এ সাফল্যের মূল চাবিকাঠি এবং যদি আপনি একটি সহজ এবং profitable keyword খুঁজে বের করেন তবে আপনি আপনার blog post rank করার প্রায় অর্ধেক পথ অতিক্রম করে ফেলবেন।


আপনি যখন Google এ কোনো কিছু জানার জন্য সেই query টাইপ করেন তখন সেই অনুসন্ধানকীৃত query -ই keyword হিসাবে পরিচিত হবে।


সহজ কথায়, কোনো পাঠক যখন কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য Google বা অন্য কোনো search engine এ search করে সেই বিষয়, শব্দ বা বাক্যই হলো Keyword।


নীচে দেখুন, আমি "Blog কি" লিখে Google এ search করি এবং গুগল আমাদের ৪৭৯০০০০০০০ এর বেশি ফলাফল দেখাচ্ছে কেন এমন হয়েছে?

Searched Keyword


কারণ সেই বহু পৃষ্ঠাতে সেই শব্দটিকে কেন্দ্র করে content লেখা হয়েছ।


এখানে যেই পোস্টটি বেশি ভালো এবং যেই blog এর authority ভালো তার পোস্টই প্রথমে থাকে এবং দ্বিতীয় পোস্ট, তৃতীয় পোস্ট এভাবে Google এর প্রথম page এ মোট ১০টি পোস্ট থাকে।


আর যেই পোস্ট সবার উপরে থাকবে সেটিই সবচেয়ে বেশি reader দের তার blog এ নিতে পারবে।


Search Engine Journal এর মতে Google এ সার্চকৃত কুয়েরির ২৮.৫% CTR (Click Through Rate) প্রথম পোস্টে আসে।


দ্বিতীয় পোস্টের CTR হলো ১৫% এবং তৃতীয় পোস্টের CTR হলো ১১%

CTR rate graph


আপনি যদি Google এর দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় থাকেন তবে SEO-তে এই পজিশনকে আপনার সবচেয়ে ভালো পোস্টকে লুকনোর জায়গা বলে।


যা র‌্যাঙ্কিংয়ের কাছাকাছি কিন্তু ট্র্যাফিক পেতে সক্ষম হয় না এবং দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় আপনি কেবলমাত্র 0.78% CTR পেতে পারেন।


সুতরাং, সঠিক keyword অনুসন্ধান করাই আপনার প্রধান লক্ষ হওয়া উচিৎ, এগুলি ছাড়া, আপনি Google এ rank করতে পারবেন না।


এখন, আপনি কি best keyword টি খুঁজে পেতে আগ্রহী যা আপনার আয় বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে?


যদি হ্যাঁ, তবে প্রথমে keyword কত প্রকার তা ভালোভাবে জানা দরকার, আর এখন আপনাকে এই সম্পর্কেই ধারণা দেব।


Keyword এর প্রকারভেদ


Keyword গুলিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলোঃ

  1. Short Tail Keyword
  2. Long Tail Keyword
  3. LSI (Latent Semantic) Keyword


এবং এই বিভিন্ন ভাগকে rank কীরার পদ্ধতিও ভিন্ন ভিন্ন হয়।


সুতরাং keyword কীভাবে কাজ করে এবং তার গুরুত্বগুলিতে মনোযোগ দিতে হবে। তাই এখানে এই ৪ প্রকার keyword কে আরো detail এ ব্যাখ্যা করব।


Short Tail Keyword


এই Keywordগুলি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের অনেক বড় অংশকে লক্ষ্য করে। আদর্শভাবে, আপনি এই keywordগুলি 1 শব্দ বা 2 শব্দের হয়ে থাকে।


আপনি যদি Google -এ অনুসন্ধান করেন এবং Earn Money টাইপ করেন, তবে Earn Money 

 -এর related ভিন্ন ভিন্ন কোয়েরি থাকতে পারে:

  1. Earn money by blogging
  2. Earn money by freelancing
  3. Earn money by digital marketing


এ ধরনের keyword -এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি একটি পোস্টে আমরা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরতে পারব। তবে অসুবিধাটি হলো এটি একটি অত্যন্ত কম্পেটেটিভ কীওয়ার্ড।


Earn Money সম্পর্কিত SERP (Search Engine Results Page) -এর প্রায় প্রতিটি পোস্টই Earn Money কে তাদের title, url এবং content -এ অন্তর্ভুক্ত করেছে।


তাই আমি কোনো begainner -কে এধরনের keyword ব্যবহারের পরামর্শ দেব না।


Long Tail Keyword


বর্তমান দিনগুলিতে Google -এ প্রচুর পরিমাণে ক্যোয়ারী অনুসন্ধান করা হয়, আর এখানে প্রচুর সুযোগ রয়েছে যা পাঠকরা একটি নির্দিষ্ট ক্যোয়ারীকে অনুসন্ধান করছেন।


সাধারণভাবে, Long Tail Keyword ৩-৫ টির শব্দ দ্বারা তৈরি হয় এবং সরাসরি ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কুয়েরিকে সম্বোধন করে এবং এজন্য একে Long Tail Keyword বলা হয়।


যদি আমরা Long Tail Keyword নিশে Ahref দ্বারা গবেষণা করা ডেটা বিশ্লেষণ করি, তবে আপনি দেখবেন Long Tail Keyword কম কম্পেটেটিব Short Tail Keyword এর তুলনায়, কেন?


কারণ তাদের search volume কম রয়েছে এবং কেউ তাদের target করার কথা ভাবছে না কিন্তু অন্যদিকে এই কীওয়ার্ডগুলি begainner -দের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, এতে আপনি সহজেই rank করতে পারবেন।


Long Tail Keyword শূন্যের প্রায় কাছাকাছি difficulty রয়েছে এবং এটি যদি র‍্যাংক করে তবে 1000+ এর অন্যান্য কীওয়ার্ডগুলিও আপনার ওয়েবসাইটের একই এবং অন্যান্য ব্লগ পোস্টের জন্য র‌্যাঙ্কিং করা শুরু করবে।


সর্বোপরি, আপনি Long Tail Keyword -এ Short Tail Keyword বা General Keyword ও লক্ষ্য করছেন, আমি কি ঠিক বলেছি?


কিওয়ার্ডের পরবর্তী ধরণের উপর ফোকাস করা যাক।


LSI ( Latent Semantic ) keyword


LSI keyword Semantic keyword হিসাবে পরিচিত বা আপনি এগুলিকে একটি secondary keyword হিসাবে বিবেচনা করতে পারেন।


হ্যাঁ, আপনি যদি আমাকে দুটি ভিন্ন উপায়ে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন যেমন:


আপনি কেন খুব দ্রুত আপনার ব্লগ পোস্টটি লেখেন না? বা আপনি কেন খুব তাড়াতাড়ি আপনার ব্লগ পোস্টটি লেখেন না?


উভয় ক্ষেত্রেই দ্রুত এবং তাড়াতাড়ি একই অর্থ প্রকাশ করে এবং এটি google অন্যান্য মিলিয়ন কোয়েরি সম্পর্কে চিন্তা করে।


সুতরাং LSI Keyword, আপনার প্রাথমিক কীওয়ার্ড হতে পারে না তবে আপনার ব্লগে এ ধরনের keyword ব্যবহারের পরামর্শ রইল এবং এখন আপনার মনে হতে পারে, LSI Keyword টি কীভাবে সন্ধান করবেন, ঠিক?


কি মনে হচ্ছে, আপনি যা জিজ্ঞাসা করতে চাচ্ছেন তার সবই আমি অনুমান করছি, তাই না?


LSI Keyword সন্ধান করা একটি খুব সহজ কাজ তাই Earn Money -এর উদাহরণে ফিরে আসুন এবং google অনুসন্ধানে কেবল Earn Money টাইপ করুন এবং SERP পৃষ্ঠাটি স্ক্রোল ডাউন করুন।


Earn Money -তে আপনার নিকট সম্পর্কিত অন্যান্য ক্যোয়ারী চলে এসেছে।


বন্ধুরা সেই প্রশ্নগুলি বা কীওয়ার্ডগুলিই হলো আপনার LSI Keyword এবং এ সম্পর্কে আমরা সামনে আরো শিখব, যখন আমরা কোনও ব্লগ পোস্ট লেখার বিষয়ে আলোচনা করব তখন LSI Keyword কীভাবে পোস্টে অন্তর্ভুক্ত করব?

LSI Keyword


উপরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত এই তিন ধরনের keyword -ই হলো প্রধান keyword -এর ধরণ যা সঠিক keyword টি খুঁজে পাওয়ার সময় আমাদের লক্ষ্য রাখা দরকার।


এখন আপনি জিজ্ঞাসা করতে পারেন, keyword রিসার্চ করার সময় আর কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে এবং keyword রিসার্চ কীভাবে করবেন?


keyword রিসার্চ এর জন্য সবচেয়ে ভালো tools এবং পদ্ধতি কোনটি?


keyword রিসার্চ ফ্রি এবং পেইড, দুই ধরণের SEO tools ব্যবহার করেই করতে পারেন। এই SEO tools গুলো আমাদের বলতে পারে যে কোনো কীওয়ার্ড সার্চ ইঞ্জিনে কত জন অনুসন্ধান করে এবং keyword টি SERP র‌্যাঙ্কের জন্য কতটা প্রতিযোগিতামূলক তা সনাক্ত করতে আমাদের সহায়তা করে।


প্রতিটি কীওয়ার্ড নীচের বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয় এবং সেগুলির প্রতিটির গুরুত্ব খুব ভালোভাবে আপনার অবগত হওয়া উচিত।


এদের প্রত্যেকটি পয়েন্ট শেখার আগে নীচের স্ক্রিনশটের রেফারেন্স লক্ষ্য করি যা একটি পেইড keyword রিসার্চ tools Ahref থেকে নেওয়া হয়েছে।

Ahrefs Keyword


  • Keyword Difficulty : Google -এ keyword টি কীভাবে র‌্যাঙ্ক করা যায় তার উপর ভিত্তি করে keyword difficulty ১-১০০ এর মধ্যে ধরে প্রতিটি SEO tools তাদের ডাটা দেখায়। Difficulty যত বেশি হবে google এ র‌্যাঙ্ক করা তত কঠিন হবে, ১০০ হলো এর সর্বোচ্চ difficulty।

  • Search Volume : একটি কীওয়ার্ডের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন search volume থাকে, আপনি নিশ্চিত হয়ে নিন আপনি যেই দেশে র‌্যাঙ্ক করতে চাই সেই দেশে এর search volume কত?

  • Global Search Volume : এটা স্পষ্ট যে বেশিরভাগ কীওয়ার্ডই বিশ্বব্যাপী সার্চ করা হয়, যেগুলো country specified, সেগুলো ছাড়া বিশ্বব্যাপী ট্র্যাফিককে আপনার ব্লগে আনার জন্য Global Search Volume এর উপর গুরুত্ব দিন।

  • Paid/organic Click : আপনি যেই keyword এর উপরই ব্লগ পোস্ট লেখেন না কেন তার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন কীওয়ার্ডটিতে 70% এর বেশি organic click রয়েছে অন্যথায় Google এর SERP -এ সম্পূর্ণ  বিজ্ঞাপন দিয়ে ভর্তি থাকবে এবং আপনি গুগলের # 1 এ কখনোই র‌্যাঙ্কিং পাবেন না।

  • Seasonal Search : নিশ্চিত হয়ে নিন কীওয়ার্ডের সার্চ ভলিউমের পরিমাণটি seasonal নয়, অন্যথায় আপনি সারা বছর ধরে ট্রাফিক সন্ধানের জন্য লড়াই করে যাবেন কিম্তু বছর ব্যাপি কোনো ফল পাবেন না। এরকম একটি keyword হলো "বিজয় দিবস", যা শুধুমাত্র ১৬ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে।

  • CPC : সেই কীওয়ার্ডটি থেকে কেমন অর্থ আয় করা যাবে তার সিদ্ধান্ত নেবে CPC (Cost Per Click), তাই যারা গুগল অ্যাডসেন্সের অ্যাড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তারা যত বেশি CPC যুক্ত keyword ব্যবহার করবে তারা তত বেশি অর্থ উপার্জন করবে।


আশা করি, এখন আপনি কোনও কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য কিসের উপর গুরুত্ব দিতে হবে সে সম্পর্কে আপনি আত্মবিশ্বাসী এবং CPC বাদে অন্যান্য সমস্ত বিষয় keyword রিসার্চ করার সময় ফোকাস করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


কীওয়ার্ড গবেষণা ফ্রি এবং পেইড SEO tools গুলোর মাধ্যমে করা যেতে পারে, তাই আমি এখন আপনাকে দ্রুত একের পর এক tools সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরব।


Free তে বিভাবে Keyword research করতে পারেন?


সাধারণত, ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য সর্বপ্রথম টুলস্ হলো Google, Google Search।


সুতরাং আপনাকে যা করতে হবে তা হলো আপনার মূল কীওয়ার্ডটি গুগলে টাইপ করুন এবং এটি আপনাকে এর রিলেটেড অসংখ্য ধারণা তুলে ধরবে এবং আপনি যেকোনো একটি সিলেক্ট করতে পারেন।

Google search


আমি টাইপ করেছি, "ব্লগিং কী" এবং গুগল স্বয়ংক্রিয়ভাবে কয়েকটি কীওয়ার্ড আইডিয়া দেখিয়ে দিয়েছে এবং এখন আপনার কাজ আরও বেশি ও ভালোভাবে গবেষণার জন্য একটি নোটপ্যাডে ব্যবহার করা যাতে সেগুলি সব নোট করে নেওয়া যায়।


ধরা যাক, ব্লগিং কি (What is Blogging) তা সম্পর্কে আপনি একটি পোস্ট লিখতে চান, সুতরাং আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপটি হলো একটি ফ্রি SEO tools ব্যবহার করে এর র‌্যাঙ্কিংয়ের ডিফিকাল্টি বের করা এবং এই তালিকায় আমরা একটি ফ্রি এসইও টুল ব্যবহার করব যার নাম Ubersuggest।


Ubersuggest সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি SEO tools যা গুগল সাজেশনের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং ইতিমধ্যে র‌্যাঙ্ক করা পৃষ্ঠাগুলির উপর ভিত্তি করে সার্চ ভলিউম এবং কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি বের করার চেষ্টা করে।


যেমন আমি Ubersuggest -এ ব্লগিং কি (What is Blogging) কীওয়ার্ডটি অনুসন্ধান করেছি, এবং এখানে আমরা দেখতে পারছি এর keyword difficulty ১৭ এর কাছাকাছি যা সহজ।

Keyword Research on Ubersuggest


এই SEO tool তার বেশিরভাগ ডেটা Google Keyword Planner -এর কাছ থেকে নিয়ে আসে এবং তা আপনাকে এর সার্চ ভলিউম সম্পর্কে মুটামুটি ভালো ধারণা দেয়।


এই কীওয়ার্ডটি tergate করার মতো এবং আপনি দ্রুত র‌্যাঙ্ক করতে পারেন।


আপনি এই গাইডটি কি উপভোগ করেছেন, কমেন্ট বাক্সে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।


কিভাবে Paid tools ব্যবহার করে keyword research করা যায়?


শিগ্রই আসবে…


কিভাবে আপনি আপনার website এর জন্য perfect domain name এবং web hosting খুজে বের করবেন?


আপনার একটি blog শুরু করতে সবার প্রথমে যা দরকার তা হলো একটি domain name এবং একটি web hosting।


তবে আপনি কি যানেন domain name আর web hosting কি?


যদি না যেনে থাকেন তাহলে আমি এ সম্পর্কে কিছু ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি, মনোযোগ সহকারে পড়েন।


Domain Name কি এবং কিভাবে Domain name কিনবেন?


আমি যদি আপনাকে কোনো উপহার পাঠাতে চাই তবে আপনি কি আমাকে আপনার বাড়ির ঠিকানা পাঠাতে পারবেন?


হ্যাঁ অবশ্যই, আপনি কোথাও থাকবেন এবং এর সঠিক অবস্থানের ঠিকানা রয়েছে।


একইভাবে, ডোমেন নামটি হলো আপনার blog এর ঠিকানা, যেখানে আপনার blog টি রয়েছে।


আপনি কি এ সম্পর্কে আরও জানতে চান?


হ্যাঁ, প্রযুক্তিগত ভাবে ডোমেন নাম হলো ওয়েবসাইটের ঠিকানা, যা ইন্টারনেটে লাইভ হবে এবং যে কেউ ইন্টারনেটে ব্রাউজ করতে পারে এবং সরাসরি আপনার ওয়েবসাইটে আসতে পারে


ডোমেন নামটি দেখতে কেমন লাগে:


https://www.ShoutOnBangla.com


এর ৪টি গুরুত্বপূর্ণ অংশ রয়েছেঃ

  1. https কিঃ https হলো Hypertext Transfer Protocol এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যা নেটওয়ার্ক ফাইলগুলির সুরক্ষিত ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে। আর যদি ফাইলগুলি সুরক্ষিত না হয় তবে এটি কেবলমাত্র http হবে।

  2. www কিঃ www এর পূর্ণ রূপ হলো world wide web।  কিছু ওয়েবসাইট এটি ব্যবহার করতে পছন্দ করে এবং কিছু ওয়েবসাইট এটি ব্যবহার করে না , আমি www ব্যবহার করি, তবে আপনি ব্যবহার করেন বা না করেন আপনি একই পৃষ্ঠায় প্রবেশ করবেন।

  3. ShoutOnBangla কিঃ এটি হলো ওয়েবসাইটের নাম, আমার ক্ষেত্রে আমি ShoutOnBangla নিয়েছি। তবে আপনার ক্ষেত্রে এটি abc, xyz যেকোনো কিছু হতে পারে। Google ক্ষেত্রে এটি হলো Google.com।

  4. .com কিঃ এটি generic top-level domain হিসাবে পরিচিত, যা কোনো ডোমেইনের নির্বাচনের মূল মাপদণ্ড এবং এটি আপনার ডোমেন URL এর এক্সটেনশন হিসাবে পরিচিত।


এখন আপনি যদি domain name নিতে চান তবে আপনি কিছু popular domain name provider আছে যাদের থাকে domain name নিতে পারেন। যেমনঃ Namecheap, Godaddy ইত্যাদি।


এবার যানা যাক web hosting কি এবং কোথা থেকে web hosting কিনতে পারবেন?


Web hosting কি এবং কিভাবে কিনবেন?


আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসে একটি ব্লগ চালাতে চান তাহলে তার জন্য আপনাকে একটি হোস্টিং কিনতে হবে যা অর্থ বিনিয়োগের প্রয়োজন, তবে আপনি কী জানেন web hosting কী?


আপনার ব্লগে বেশ কয়েকটি ফাইল, সামগ্রী, ডাটাবেস এবং অনেক প্রযুক্তিগত ডেটা থাকবে যা ইন্টারনেটে কোথাও সঞ্চয় করা দরকার, যাতে প্রত্যেকে আপনার ওয়েবসাইটের পোস্ট বা পৃষ্ঠাগুলি অ্যাক্সেস করতে পারে।


আপনার ওয়েবসাইট ডেটার এই ধারকটি web hosting হিসাবে পরিচিত। এবং web hosting এর কারণে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটগুলি self-hosted blog হিসাবে পরিচিত।


এর অর্থ আপনি আপনার hosting ব্যবহার করে ওয়েবসাইটটির সুরক্ষা এবং পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবেন।


Google জানুয়ারী ২০১৮ এর একটি update এ তারা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছিল যে ওয়েবসাইটের loading speed আপনার ওয়েবসাইটের ranking এর মূল মাপদণ্ড হবে।


যদি আপনার ওয়েবসাইটের লোডিংয়ের গতি ১ সেকেন্ড দেরিতে হয় তবে আপনি সম্ভাব্য ট্র্যাফিকের ৭% হারাতে পারেন, হ্যাঁ এটি সত্য।


আপনি যদি হোস্টিংয়ের গুরুত্ব বুঝতে পেরে থাকেন তবে এই মুহুর্তে কেবল মনে রাখবেন, আপনাকে ওয়েবসাইট loading speed এর উপর অনেক বেশি মনোনিবেশ করতে হবে।


এখন আমি আপনাকে কিছু popular web hosting এর নাম তুলে ধরব, যেখান থেকে আপনি আপনার blog এর জন্য hosting নিতে পারেনঃ

  1. Namecheap (Recomanded for begainner)
  2. Hostinger (Recomanded for begainner)
  3. A2 hosting (Fast & Flaxible shared hosting)
  4. Bluehost (Value for money)
  5. SiteGround (Best premium web hosting)
  6. WP Engine (Best managed wordpress hosting)


Domain name এবং web hosting সম্পর্কে জানারবপর, এবার জানা যাক Blogger VS Wordpress কোন CMS টি আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো।


Blogger VS Wordpress : কোন CMS টি আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো


কিছু লোক কোনো অর্থ খরচ না করেই blogging শুরু করতে পছন্দ করে বা করতে চায় এবং অন্যরা কয়েক মাসের মধ্যে এটি ফিরে পাওয়ার আত্মবিশ্বাস রেখে কিছু টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে blogging শুরু করে।


Blogging এ অর্থ বিনিয়োগের বিষয়ে আপনার কী ধারণা তা কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না!


আপনি যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, আমি যখন blogging শুরু করি তখন আমি কী করেছি?


আমি প্রথমে কোনো অর্থ খরচ না করেই blogging শুরু করেছিলাম।


তবে কেন আমি আপনাকে বিনামূল্যে এবং অর্থ প্রদানের মাধ্যমে blogging করার চয়ন করতে বলেছি তা হলো ব্লগিং প্ল্যাটফর্মগুলির কারণে।


আপনি যদি কোনও ব্লগ শুরু করতে চান তবে আপনার একটি Content Management System দরকার যা আমরা CMS বলি এবং বর্তমানে দুটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, যা almost সবাই ব্যবহার করে এবং পছন্দ করে। এ দুটি হলোঃ

  1. Blogger
  2. Wordpress

Blogger কি?

Blogger

Blogger একটি Google এী নিজস্ব content management system যা ২০০৩ সালে শুরু হয়েছিল।


আপনি যদি Blogger দিয়ে কোনও ব্লগ শুরু করতে ইচ্ছুক হন তবে আপনার যা প্রয়োজন হবে তা হলো কেবল মাত্র একটি ইমেল আইডি এবং বাকীটি গুগল বিনামূল্যে প্রদান করবে।


তবে এর কিছু সুবিধা এবং কিছু অসুবিধা রয়েছে, তাই এখন আমি আপনাকে এর সকল সুবিধা এবং অসুবিধা একে একে তুলে ধরব।


Blogger এর সুবিধাসমূহঃ

  1. Blogger এর সুরক্ষা গুগলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে যার অর্থ আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট হ্যাক হয়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
  2. আপনি প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ট্র্যাফিক পরিচালনা করতে বিনামূল্যে হোস্টিং পাবেন।
  3. আপনি একটি ফ্রি sub-domain পাবেন যার extension হলো  ".blogspot.com"।
  4. আপনার website এ কতজন visitor আসছে, কোন দেশ থেকে আসছে এবং কোন browser থেকে আসছে তা দেখার জন্য একটি inbuild analytics পাবেন।


Blogger CMS এর অসুবিধাসমূহঃ

  1. Blogger এর মালিক হলো Google যার অর্থ আপনি ব্লগের মালিক নন।
  2. আপনাকে Google এর সকল নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে হবে, তা না হলে আপনার ব্লগটি অবিলম্বে মুছে ফেলা হবে।
  3. আপনার ব্লগকে অটোমেট করতে আপনার Blogger এর সাথে অতিরিক্ত প্লাগইন যুক্ত করার কোনও পদ্ধতি বা উপায় নেই।
  4. Blogger এর ব্যবহার এবং customization এর মধ্যে কিছু limitations আছে।


আপনার ব্লগটি যদি এক মিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় পরিণত করার দৃষ্টি থাকে তবে সম্ভবত এই প্ল্যাটফর্মটি আপনার ব্লগটি শুরু করার পক্ষে সেরা নয়।


আপনার জন্য সেরা পছন্দটি হবে ওয়ার্ডপ্রেস, তাই ওয়ার্ডপ্রেস কী এখন আপনাকে সে সম্পর্কে একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।



টিপস্ : Blogger website কে সার্চ কন্সলে সাবমিট করুন


Wordpress কি?

Wordpress


Wordpress সর্বাধিক জনপ্রিয় Content Management System, যা ২০০৩ সালের দিকে শুরু হয়েছিল।


পরিসংখ্যান অনুসারে, ৬০% এরও বেশি blogger তাদের blog গুলো পরিচালনা করতে wordpress ব্যবহার করছেন এবং এটি self-hosted blogging platform হিসাবে সুপরিচিত।


এর অর্থ আপনি আপনার ব্লগের মালিক এবং আপনি বাজারে উপলভ্য অতিরিক্ত পরিষেবাদি ব্যবহার করতে চাইলে সহজেই তা ব্যবহার করতে পারবেন।


Wordpress একটি অলাভজনক সংস্থা। যা ওয়ার্ডপ্রেস ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন একটি ফ্রি সিএমএস প্রদানকারী এবং তারা দুটি সর্বাধিক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম অফার করে।

  1. Wordpress.com
  2. Wordpress.org


তবে আমরা wordpress.org কে নিয়ে মনোনিবেশ করব কারণ wordpreas.com বিনামূল্যে আপনি এর কিছুমাত্র features ব্যবহার করতে পারবেন, অনেকটা Blogger.com এর মতো। এর অন্যান্য প্রো features গুলো ব্যবহার করতে আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হবে।


WordPress.org আপনার নিজের বাড়ির মতো, যেখানে আপনি সামান্য কিছু অর্থ ব্যায় করে আপনি আপনার blog শুরু করতে পারবেন, যা সাধারণত $30-$50/year।


এখন আমরা wordpress এর সুবিধা এবং অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করব।


Wordpress এর সুবিধাঃ

  1. Wordpress self-hosted ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এবং আপনি আপনার ব্লগের মালিক হবেন।
  2. আপনি আপনার blogging কে সহজ এবং আরো সুন্দর করার জন্য plugin ব্যবহার করতে পারবেন।
  3. Wordpree এ আপনি আপনার প্রয়োজন এবং পছন্দ অনুযায়ী customize করতে পারবেন।


Wordpress এর অসুবিধাসমূহঃ

  1. Wordpress যেহেতু self-hosted blogging platform তাই আপনাকে এর জন্য hosting কিনতে হবে।
  2. আপনাকে আপনার blog এর জন্য domain name কিনতে হবে, আপনি blogger এর মতো কোনো ফ্রি sub-domain পাবেন না।
  3. এর security এবং performance আপনাকেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।


এখন আপনি আপনার blog এর জন্য কোনটি best তা নিজেই বেছে নিন। তবে আমার recommendation থাকবে যদি আপনি কিছু টাকা invest করতে পারেন তবে wordpress এর সাথে শুরু করেন।


আপনার কি পোস্টটি ভালো লাগছে?


যদি হ্যা হয় তবে এবার জানা যাক, SEO কি এবং কিভাবে আপনি আপনার blog এর SEO করবেন।


SEO কি এবং কিভাবে আপনি আপনার blog এর SEO করবেন?


শুধু আপনার blog শুরু করলেই হবে না, তাকে search engine এ show করাতে হবে। আর search engine এ আপনার blog টি আনার প্রক্রিয়া হলো SEO।


পৃথিবী জুড়ে প্রতিদিন লক্ষাদিক blog খুলা হয়। তবে এদের সবাই কিন্তু সফল হতে পারে না। শুধুমাত্র সেই blog ই সফল হতে পারে যেখানে content ভালো এবং যেই blog এ proper SEO করা হয়েছে।


SEO কি?


Search Engine Optimization এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো SEO। Google এর মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে আপনার blog কে উচ্চতর পর্যায়ে র‌্যাঙ্ক করার শিল্প এবং বিজ্ঞানই হলো SEO।


কারণ, যেহেতু অনুসন্ধান একটি প্রধান উপায় যার মাধ্যমে লোকেরা অনলাইনে সামগ্রী খুঁজে বের করে, search engine গুলোতে উচ্চতর র‌্যাঙ্কিং কোনো ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বাড়িয়ে তুলতে পারে।


Organic search result এ ফলাফলের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিকের পরিমাণ এবং গুণমান বাড়ানোর কৌশল হলো SEO।


SEO ২ প্রকার। যথাঃ

  1. OnPage SEO
  2. OfPage SEO


SEO এর আসল অর্থ বুঝতে হলে এর সংজ্ঞাটি ভেঙে দেখুন:

  • ট্রাফিকের গুণমানঃ SEO এর মাধ্যমে আপনি বিশ্বের সমস্ত audience দের আকর্ষণ করতে পারেন। তবে যদি তারা আপনার সাইটে আসেন কারণ google তাদের বলে যে আপনি অ্যাপল কম্পিউটার বিক্রি করেন যেখানে আপনি আসলে আপেল বিক্রি কেন, এটি গুণমান ট্র্যাফিক নয়।

    পরিবর্তে আপনি আপনার দেওয়া পণ্যগুলিতে প্রকৃত আগ্রহী এমন audience দের আকর্ষণ করতে আপনার blog এর SEO করতে পারেন।

  • ট্রাফিকের পরিমাণঃ SEO এর মাধ্যমে আপনি আপনার blog এ Search Engine Result Page (SERP) থেকে tergated audience পাবেন।

  • Organic result: অনেক search result শুধুমাত্র ads দ্বারাই পূর্ণ থাকে। তাই proper SEO করলে আপনি আপনার blog post কে organic result এ আনতে পারবেন।


কিভাবে আপনার blog এর SEO করবেন?


Search Engine Optimization (SEO) আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে আরও অর্গানিক ট্র্যাফিক তৈরি করতে সাহাজ্য করবে এবং যদি সঠিকভাবে আপনি SEO প্রয়োগ করেন তাহলে, এটি আপনার ব্লগকে গুগল search resultগুলিতে উচ্চতর স্থানে পৌঁছাতে সাহাজ্য করবে।


SEO এর জন্য আপনার ব্লগটি অনুকূল করতে আপনি বেশ কয়েকটি কৌশল প্রয়োগ করতে পারেন। আপনার ব্লগের সন্ধানযোগ্যতা বাড়াতে সহায়তা করার জন্য এখানে ৫ টি SEO friendly ব্লগ লেখার টিপস তৈরি করেছি, যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটে আরো audience বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।


Keyword Research এর উপর ভিত্তি করে আপনার blog post এর একটা নকশা তৈরি করুন


Search Engine Optimization এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ পোস্টগুলো আপনার audience এবং Search Engineগুলোর সন্ধান করা আরও সহজ হয়ে যাবে। আপনার ব্লগগুলি যথাযথভাবে অপ্টিমাইজ করার জন্য, আপনাকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ keyword গুলোর উপর গবেষণা করা শুরু করতে হবে।


মূলশব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে keyword research আপনাকে search engine এর তথ্যের উপর ভিত্তি করে আপনার tergated audience কোন বিষয়গুলোতে আগ্রহী তা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে।


এটি নিশ্চিত করে যে লোকেরা আসলে যা অনুসন্ধান করছে এমন বিষয়গুলো নিয়েই আপনি লিখছেন। অন্যদিকে, নতুন ব্লগ পোস্টের idea নিয়ে আসার এটি একটি দুর্দান্ত উপায়।


Relevant Keyword সন্ধানের জন্য আপনি বেশ কয়েকটি Keyword Research Tools ব্যবহার করতে পারেন। আমরা এ বিষয় নিয়ে পূর্বেই আলোচনা করেছি।


একটি attractive blog post title ব্যবহার করুন


Search Engine এর মূল উদ্দেশ্য হলো অনুসন্ধানকৃত কুয়েরির উপর ভিত্তি করে প্রাসঙ্গিক পোস্টগুলো প্রদর্শন করা।


আপনার ব্লগের titleটি আপনার ব্লগ পোস্ট কেমন তা নির্ধারণের জন্য search engine এর জন্য প্রথম উপাদান (এবং আপনার পাঠকের জন্যও!)। সুতরাং, title -এ আপনার কীওয়ার্ডটি অন্তর্ভুক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


আপনার title এর প্রথম ৬০ টি অক্ষরের মধ্যে আপনার কীওয়ার্ডটি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে নিশ্চিত হন, কারণ Google search engine এর পৃষ্ঠার ফলাফলগুলিতে ৬০ অক্ষরের পরের অক্ষরগুলো title থেকে কেটে দেয়।


যেহেতু আপনার blog post এর title ই সবাই প্রথমে দেখবে এবং এ থেকেই ধারণা নেবে আপনার post টি কেমন তাই সবসময়ই একটি attractive title ব্যবহার করুন।


তবে মনে রাখবেন কখনোই যেন আপনি আপনার audience দের কাছে আপনার post এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য যেন আপনি তাদের mislead না করেন।


আপনার অন্যান্য post এর সাথে Internal Linking করুন


আপনার blog post এর proper SEO করতে হলে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো Internal Linking যা OnPage SEO -এর অন্তর্ভুক্ত।


Internal Linking আপনার audience কে আপনার content এর সাথে আরো বেশি সময় ব্যায় করতে সাহাজ্য করে, যা আপনার blog এর bounce rate কমাতে সাহায্য করবে।


আপনার প্রতিটি ব্লগ পোস্টে কমপক্ষে আপনার নিজস্ব ওয়েব পেজের একটি করে লিঙ্ক যুক্ত করুন। এটি ব্যবহারকারীদের সহজেই অন্যান্য পৃষ্ঠাগুলিতে নেভিগেট করতে সহায়তা করবে।


এতে আপনার ব্লগে আপনার audience আরো বেশি সময় ব্যয় করে এবং এই লিঙ্কগুলো আপনার ওয়েবপৃষ্ঠাগুলির মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি করে।


সর্বোপরি, আপনার ওয়েবসাইটের কোনো লিঙ্ক নিশ্চিত করবে যে আপনার blog এ কেমন content আছে এবং আপনার audience কি এই content গুলো সহজেই খুজে বের করতে পরছে কিনা।


আপনার post গুলো সহজেই পড়ার যোগ্য করে তুলুন


আপনার ব্লগ পোস্ট গুলো সহজেই Google, Yahoo!, Bing বা অন্য কোনো Search Engine এ rank করানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো এর readability score বৃদ্ধি করা অর্থাৎ আপনার ব্লগ পোস্টে সহজ শব্দ ব্যবহার করা, যাতে এটি পড়তে কারো সমস্যা না হয়।


এর জন্য আপনাকে আপনার ব্লগ পোস্টে ছোট এবং সহজ শব্দ, ছোট বাক্য, সঠিক বানান এবং বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করতে হবে।


এছাড়াও আপনার ব্লগ পোস্টটি যাতে সহজেই সকলে বুঝতে পারে এর জন্য আপনি আপনার পোস্টে ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করতে পারেন।


তাছাড়া যখন আপনি আপনার পোস্টটি লিখবেন তখন লক্ষ রাখবেন যাতে আপনি আপনার পোস্টের title এবং description সঠিকভাবে লেখেন, কারণ এটিই আপনার audience সর্বপ্রথম দেখবে এবং তার সাথে সাথে আপনার পোস্টে proper h1, h2, h3 tag এর ব্যবহার করবেন।


সবসময় unique content লিখবেন


আপনি যদি আগে থেকেই blogging করে থাকেন তাহলে অবশ্যই শুনে থাকবেন "Content is king". 


তাই আপনাকে সবসময়ই আপনার content এর উপর কাজ করতে হবে এবং একে কিভাবে আরো ভালো বানানো যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে, তবেই আপনি blogging এ সফল হতে পারবেন।


কারণ আপনার content পড়েই আপনার audience আপনার ব্লগ কেমন এবং এটি কি তাদের প্রয়োজনীয়তা মেটাতে পারবে কি না তা নির্ণয় করবে। তাই সবসময় আপনার content কে আরো উন্নত করার চেষ্টা করুন এবং সবসময়ই সঠিক তথ্য দিন।


আপনি হয়তো দেখে থাকবেন অনেক blogger আছে যারা অন্যের content নিজের ব্লগে পোস্ট করে। আপনি সবসময়ই চেষ্টা করবেন যেন আপনি এমনটা না করেন।


আপনি সবসময়ই চেষ্টা করবেন যেন আপনার ব্লগ পোস্টের প্রতিটি লাইন প্রতিটি অক্ষর নিজ থেকে লিখতে, এতে আপনার content যে শুধু google এ rank করবে তাই নয় বরং আপনার audienceও আপনার উপর বিশ্বাস করবে।


তাই সআসময়ই আপনি একটি unique content তৈরি করার চেষ্টা করুন এবং চেষ্টা করুন যেন আপনার niche related সকল তথ্য যেন আপনি সময়মতোই পোস্ট করতে পারেন। 


আশা করি এই গাইডটি আপনার কাছে informative লাগছে। তবে চলুন এবার যানা যাক কিভাবে আপনি আপনার blog এর জন্য post idea খুঁজে বের করবেন।


কিভাবে আপনি blog post idea খুঁজে বের করবেন?


আপনি একটি SEO friendly ব্লগ পোস্ট লেখার খুব কাছাকাছি কিন্তু ফোকাস করার প্রধান বিষয়টি সঠিক keyword query সন্ধান করা, তবে সঠিক keyword query অর্থ কী?


আপনি মনে করুন আপনি একটি keyword খুঁজে বের করেছেন যা হলো facebook login, যার SEO difficulty প্রায় 10 এবং এর search volume লক্ষ লক্ষ এবং আপনি কীওয়ার্ড facebook login কে লক্ষ্য করে একটি ব্লগ পোস্ট লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এটি কি কাজ করবে?


না, এটি কাজ করবে না, কেন?


কারণ লোকেরা facebook login keyword টি type করছে কারণ তারা Facebook এ login করতে চাচ্ছে, তারা কোনো ব্লগ পড়তে চাচ্ছে না।


তাই আপনা facebook login এই কিওয়ার্ডের বদলে আপনি ব্যবহার করতে পারেন facebook login issue, যা একটি tergated keyword.


এবং একেই বলেই keyword এর সার্চ ইন্টেন্ট, অর্থাৎ আপনার audience কেন ঐ কিওয়ার্ডটি খুঁজছে তা বেী করা। এভাবেই আপনি আপনার ব্লগের জন্য একটি সঠিক পোস্ট idea খুঁজে বের করতে পারবেন।


চলুন এখন আমি আপনাকে আরো কিছু পদ্ধতি দেখাচ্ছি যাতে আপনি আপনার ব্লগের জন্য blog post idea খুঁজে বের করতে পারেন।


এখন আমি আপনাকে দুটি জনপ্রিয় platform তুলে ধরব যেখান থেকে আপনি blog post idea খুঁজে বের করতে পারেন।


আগে থেকেই rank করা পেজ থেকে পোস্ট idea খুঁজুন


আপনার কোনো ব্লগ পোস্ট লেখার লক্ষ্য হলো তা SERP এ #1 ranking পাওয়া। তাই আপনার content idea এর জন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো আগে থেকেই rank করা পেজ কে লক্ষ্য করা।


এর জন্য সহজ উপয় হলো Google বা অন্য কোনো search engine এ যান, আপনার keyword টি টাইপ করুন এবং ranking page গুলোকে লক্ষ্য করুন।


দেখুন তারা তাদের blog post এর title এ কি দিয়েছে এবং তারা title ও h1 tag এ কিভাবে তাদের keyword tergate করেছে।


এভাবে আপনি সহজেই Google কে ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট idea খুঁজে বের করতে পারবেন।


Quora ব্যবহার করে


Quora একটি জনপ্রিয় Q&A platform, যেখানে মানুষ তাদের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে এবং উত্তর দেয়। তাই এটি আপনার জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ এটি জানার জন্য যে মানুষ বর্তমানে কি খুঁজছে।


আপনি আপনার keyword টি quora তে search করবেন এবং দেখবেন অন্যরা এ related কোন কোন প্রশ্ন করছেন এবং এভাবে আপনি একটি নতুন content idea খুঁজে বের করতে পারবেন।


ইন্টারনেটে আরো কিছু platform আছে যেখান থেকে আপনি content idea খুঁজতে পারেন, এটি সম্পর্কে আপনাকে পরবর্তীতে জানানো হবে। তবে এ দুটি platform ই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।


আপনি আপনার ব্লগের জন্য content idea পেয়ে গেছেন। এবার আপনাকে আপনার সেই ব্লগ পোস্টগুলো লিখতে হবে।


তবে এখানে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো কিভাবে এই পোস্টগুলো SEO Friendly করা যায়।


এখন আমি আপনাকে এ সম্পর্কেই বলবো, কিভাবে আপনি একটি SEO Friendly article লিখবেন?


কিভাবে একটি SEO Friendly article লিখবেন?


আপনাকে আগেই জানিয়েছি SEO অর্থ কি?


Search Engine Optimization, যার প্রক্রিত মানে হলো আপনার ব্লগ পোস্টকে search engine এর অনুকূল করে তুলা।


তবে আপনার ব্লগ পোস্টটি শুধু search engine এর অনুকূল করলেই হবে না এর সাথে সাথে একে আপনার audience এর অনুকূলও করে তুলতে হবে।


এখানে আমি আপনাকে প্রথমে শেখাব কিভাবে আপনি আপনার ব্লগ পোস্টটি search engine এর অনুকূল করে তুলবেন তারপর আপনাকে জানাবে কিভাবে আপনি আপনার content কে আপনার audience এর অনুকূল করে তুলবেন।


যখনই আমরা On-page SEO এর কথা বলি, তখন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আমাদের tergated keyword গুলো আমাদের blog post এ add করা।


যাতে search engine বুঝতে পারে আপনার content বা পোস্টটি কি সম্পর্কে এবং আপনি মূলত কোন keyword কে লক্ষ্য করেছেন।


তাহলে চলুন জানা যাক কিভাবে আপনি আপনার keyword কে আপনার ব্লগ পোস্টের জন্য optimize করবেন।


কিভাবে keyword কে ব্লগ পোস্টের জন্য অপটিমাইজ করা যায়?


এখন আমি আপনাকে কিছু টিপস্ দেব যা ব্যবহার করে আপনি ব্লগ পোস্ট লেখার সময় আপনার keyword কে optimize করতে পারবেন।


টিপস্ঃ ওয়েবসাইট দ্রুত ইন্ডেক্স করার উপায়


Keyword কে title বা h1 tag এ ব্যবহার করু


H1 ট্যাগটি ব্লগ পোস্টের title, এবং বেশিরভাগ কেস স্টাডিতে এটি প্রমাণিত যে, একটি পোস্টের title এ আপনার কীওয়ার্ড যুক্ত করলে তা সবচেয়ে বড় বা main কীওয়ার্ড হিসেবে গণ্য হবে।


আপনাকে title লেখার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আপনার title ৫০-৬০ অক্ষরের মধ্যেই শেষ হয়। কারণ google বা অন্যান্য search engine এর থেকে বেশি অক্ষর তাদের search result এ দেখায় না।


পারমালিংক বা url এ আপনার keyword add করুন


পারমালিংক হলো কোনো ব্লগ পোস্টের কাস্টম ইউআরএল। আপনি যখন search engine এ কোনো বিষয় জানার জন্য search করবেন, তখন search result এ ঠিক title এর নিচে url দেখা যায়।


তাই আপনাকে সবসময়ই লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আপনার url টি ছোট হয় এবং এতে আপনার keyword টি থাকে।


প্রথম paragraph এ keyword add করুন


সবসময়ই চেষ্টা করুন আপনার keyword টি আপনার ব্লগ পোস্টের প্রথম paragraph এ add করতে।


তবে তা যেন genuine ভাবে হয়, তা যেন কোনো keyword stuffing মনে না হয় বা উল্টা-পাল্টা লিখে যেন keyword add না করেন।


এতে আপনার audience আপনার content পছন্দ করবে না এবং ছেড়ে চলে যাবে। সাথে সাথে Google ও আপনার content কে rank করবে না।


আর যদি প্রথম paragraph এ add করা সম্ভব না হয় তবে চেষ্টা করুন প্রথম ১০০ word এর মধ্যে add করতে।


H2, H3 tag এ keyword add করুন


সবসময়ই মনে রাখবেন একটি ব্লগ পোস্ট লেখা হয় অনেকগুলো h2, h3 tag এর সমন্বয়ে, যাকে headlinesও বলে।


তাই সআসময়ই চেষ্টা করবেন প্রথম h2 tag এ আপনার keyword টি add করতে। এবং এই h2 tag টি থাকবে প্রথম ৫০০ word এর মধ্যে।


এরপর আপনার tergated keyword টি h3 tag এ add করুন এবং আপনার headlines এ একটি LSI keyword (LSI Keyword সম্পর্কে আমরা আগেই জেনেছি) থাকবে।


Internal এবং External backlink ব্যবহার করুন


Internal link এর অর্থ হলো আপনার ব্লগ পোস্টে আপনারই অন্য কোনো পোস্টের link add করা। আর External link এর অর্থ হলো আপনার ব্লগ পোস্টে অন্য কারো website এর link add করা।


Internal link আপনার ব্লগের ভিউ বাড়াতে সাহাজ্য করে। কারণ যোখন কোনো পাঠক আপনার কোনো ব্লগ পোস্ট পড়ে তখন সে আপনার দেয়া লিংকে ক্লিক করে অন্য পোস্টও পড়তে পাড়ে।


এবং External link দেয়ার ফলে google বুঝতে পারে আপনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যুক্ত করেছেন যা অন্য ব্লগ পোস্টের সাথেও সম্পৃক্ত, এর ফলে google বা অন্যান্য search engine এ আপনার ranking বৃদ্ধি পায়।


Meta Description এ আপনার keyword add করুন


Google meta description দেখেই কোনো পোস্টকে rank করে না, তবে meta description আপনার audience এর attention পেতে সাহাজ্য করে।


Meta Description এর অক্ষর সংখ্যা ১৫০-১৬০ অক্ষরের মধ্যেই হতে হবে। এর বেশি হলে google তা তার search result এ show করবে না।


চলুন এবার জানা যাক কিভাবে আপনি আপনার audience এর জন্য একটি seo friendly ব্লগ পোস্ট লিখবেন?


কিভাবে user engaging ব্লগ পোস্ট লিখবেন?


যদি আপনি On-page SEO সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা পেয়ে থাকেন, তবে আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ হলো কিভাবে আপনি এমন blog post লিখবেন যা আপনার audience পছন্দ করবে?


আপনি আপনার audience attention পাওয়ার জন্য যা যা করতে পারেন তা হলোঃ

  • আপনি ব্লগ পোস্ট লেখা শুরু করার পূর্বে, আপনার audience কে এবং তারা কী সন্ধান করছে তা জানার চেষ্টা করুন।

    আপনার শ্রোতা কে এবং তারা কী চায় তা অনুমান করার পরিবর্তে আপনি আপনার প্রতিযোগিদের উপর নজর রাখতে পারেন। এতে আপনি সহজেই জানতে পারেন আপনার audience কি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে। এতে আপনি আপনার audience এর জন্য সঠিক content লিখতে পারবেন।

  • যদি আপনি একটি attractive headlines ব্যবহার না করেন তাহলে আপনার পোস্টি পড়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

    কারণ আমরা মানুষ হিসেবে অলস। আমরা কোনো বস্তুর নাম বা এর উপরিভাগ দেখেই অনুমান করি বস্তুটি কেমন।

    তাই আপনাকে সবসময়ই আপনার ব্লগ পোস্টের headline এমন রাখতে হবে যেন আপনার পাঠক এটিকে দেখেই পোস্টটি পড়তে মনে হয়।

  • আপনি আপনার ব্লগ পোস্টের title এ একটি অনন্য সংখ্যা ব্যবহার করতে পারেন (যেমনঃ ৯)।

    যা সহজেই আপনার audience এর attention নিতে পারবে এবং আপনার ctr rate বৃদ্ধি পাবে।

  • আপনার ব্লগ পোস্টটি যেন সকলে আনন্দের সাথে পাড়ে, যাতে এটি পড়ে কেউ নিরলস না হয়, এর জন্য আপনি আপনার ব্লগ পোস্টকে বিভিন্ন sub-heading এ ভাগ করতে পারেন।

    বড় বড় লাইন, কঠিন শব্দ কেউই পড়তে চায় না। আর ইন্টারনেট, যেখানে content এর কোনো অভাব নেই সেখানে যদি আপনার ব্লগ পোস্টে কঠিন শব্দ বা বড় বাক্য ব্যবহার করেন তবে আপনার audience অন্য কোথাও চলে যাবে।

    তাই আপনাকে সবসময়ই আপনার ব্লগ পোস্টে ছোট বাক্য এবং সহজ শব্দ ব্যবহার করতে হবে।

    তাছাড়াও আপনাকে আপনার প্রতিটি paragraph ২-৩ বাক্যে শেষ করতে হবে।

  • প্রথম বাক্যের মাধ্যমে আপনার user এী attention নেয়ার চেষ্টা করুন। এটি সত্য যে, এই অংশটি একটি ব্লগ পোস্ট লেখার সবচেয়ে কঠিন অংশ।

    কারণ প্রথম বাক্যটি পাঠককে আকৃষ্ট করতে এবং একই সাথে আপনার পোস্টটি কেমন হবে সে সম্পর্কে তাদের ধারণা দিতে একটু কঠিন।

    তাই সবসময় আপনার প্রথম বাক্যটি লেখার আগে ভালো করে ভাবুন এবং দেখুন অন্যরা কিভাবে তাদের পোস্ট শুরু করেছে। এতে আপনার audience কে attract করা আরো সহজ হবে।

  • সর্বদা প্রথম ১০০ টি শব্দের উপর মনোনিবেশ করতে হবে। এই প্রথম ১০০ word পড়েই আপনার পাঠক আপনার সম্পূর্ণ ব্লগ পোস্ট পড়বে কিনা তা সিদ্ধান্ত নেবে।

    তাই আপনাকে আপনার ব্লগ পোস্টের এই প্রথম ১০০ word এর উপর সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য রাখতে হবে।

    এই প্রথম ১০০ word এ আপনাকে এমন কিছু add করতে হবে যেন তা পড়েন আপনার audience আপনার সম্পর্ণ পোস্ট পড়তে চায়।

  • আপনি আপনার audience কে attract করার জন্য আপনার কন্টেন্টে বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করতে পারেন।

    বুলেট পয়েন্ট কোনো বিষয় সম্পর্কে সঠিক এবং সহজভাবে উত্তর দিতে ব্যবহার করা যায়।

    মানুষ সবসময়ই সহজে কোনো কিছু পেতে চায়। তারা কোনো কিছু খুঁজার জন্য বেশি পরিশ্রম করতে চায় না। আর কোনো ব্লগ পোস্টে কোনো কিছু খুঁজার পারফেক্ট স্থান হলো বুলেট পয়েন্ট।

    তাই সবসময় চেষ্টা করুন আপনার ব্লগ পোস্টে বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করার।

  • মানুষের মস্তিষ্ক টেক্সট-ভিত্তিক বস্তুর তুলনায় ভিজ্যুয়াল সামগ্রী (যেমনঃ- ছবি, ভিডিও ইত্যাদি) -কে অনেক দ্রুত প্রক্রিয়া করতে এবং বুঝতে পারে।

    এ কারণেই মনমুগ্ধকর ছবি বা ভিডিও যুক্ত করে আপনি আপনার audience কে সহজে আকৃষ্ট করতে পারবেন।

    Online এ এমন অনেক স্থান আছে যেখান থেকে High quality reality free ছবি পেতে পারেন।

    তবে সত্যি কথা বলতে আপনি নিজের ছবি তোলে বা নিজের ইমেজ তৈরি করে ব্যবহার করলেই সবথেকে ভালো হবে।


উপরুক্ত সকল পদ্ধতি ভালো করে বুঝলে এবং তা আপনার content এ ব্যবহার করলে আপনি আপনার SEO friendly ব্লগ পোস্ট লিখে ফেলেছেন।


এবার আপনি আপনার পোস্টটি পাবলিস করতে পারেন। এবার আপনার প্রধান কাজ হলো বেশি লোকের কাছে আপনার পোস্টটি পৌছে দেওয়া।


এর জন্য আপনি আপনার পোস্টকে বিভিন্ন সোসাইল মিডিয়া প্লাটফর্মে শেয়ার করতে পারেন। তাছাড়াও আরো কিছু পদ্ধতি আছে যা ব্যবহার করে আপনি আপনার পোস্টে বেশি audience আনতে পারেন।


চলুন তাহলে এবার জানা যাক কিভাবে আপনি আপনার ব্লগ পোস্ট বা ওয়েবসাইটকে promote করবেন।


কিভাবে আপনার website কে promote করবেন?


Search Engine এ rank করার জন্য ব্লগ পোস্ট publish করাই যথেষ্ট নয়, আপনাকে Off-page SEO বা একে প্রচার করার জন্য কিছু কৌশল অনুসরণ করতে হবে।


Off-page SEO হলো একটি কৌশল বা প্রক্রিয়া, যা আপনাকে আপনার ব্লগের বাইরে করতে হয়। যেমন আপনার পোস্টের জন্য বা ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা, সোসাইল মিডিয়া প্লাটফর্মে শেয়ার করা ইত্যাদি।


কিন্তু আপনাকে সবার প্রথমে আপনার কন্টেন্টকে search engine এ index করাতে হবে।


কিভাবে ব্লগ পোস্ট দ্রুত search engine এ index করানো যায়?


আপনি যখন আপনার ব্লগ প্রকাশ করেন, আপনার প্রথম কাজ হলো search engine কে জানানো যে আপনি একটি ব্লগ পোস্ট প্রকাশ করেছেন এবং এটিকে index করা দরকার।


এখানে indexed, মানে গুগলের এমন কিছু ক্রলার রয়েছে যা আপনার সাইটে ভিজিট করে এবং কীওয়ার্ডগুলি সন্ধান করে এবং search engine এ তাদের অবস্থান দেয়।


তাই আপনার সর্বপ্রথম দরকার হলো আপনার ব্লগের sitemap। আপনি যদি wordpress ব্যবহার করেন এবং তার ভেতর যদি seo plugin হিসেবে আপনি Yoast SEO বা Rankmath ব্যবহার করেন তবে আপনি নিচের পদ্ধতিতে আপনার sitemap দেখতে পারেন।


https://www.yourdomain.com/sitemap_index.xml


আর যদি আপনি blogger ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার sitemap inbuild তৈরি হয়ে আসে। আপনি আপনার sitemap দেখতে পারেনঃ


https://www.yourdomain.com/sitemap.xml


এবার আপনি আপনার sitemap টি submit করুন, আপনার কাজ হয়ে যাবে।


কয়েক দিনের মধ্যেই আপনা ব্লগ পোস্ট index হয়ে যাবে। Index হওয়ার পরই আপনার পোস্ট rank করা শুরু করবে।


Banklink তৈরি করুন


Banklink এর অর্থ হলো আপনার ব্লগ পোস্টের url অন্য কারো website এ থাকা। বিষয়টি একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝানো যাক।


মনে করেন আপনার ব্লগ abc এবং আরেকটি ব্লগ xyz। এবার যদি xyz ব্লগের কোনো জায়গায় আপনার ব্লগ অর্থাৎ abc এর link থাকে, তাহলে xyz ব্লগ abc ব্লগকে link দিয়েছে। এই প্রক্রিয়াটিই হলো backlink।


Backlink দুই প্রকারের হয়। যথাঃ Dofollow এবং Nofollow


Dofollow: যদি একটি ব্লগ অন্য একটি ব্লগকে লিংক দেয় এবং তা যদি মানুষ এবং google crawler উভয়ই ভিজিট করতে পারে তবে তা Dofollow Backlink। Dofollow Backlink এর ফলে আপনার ব্লগের ট্রাফিক এবং অথোরিটি দুটোই বাড়ে।


Nofollow: যদি একটি ব্লগ অন্য একটি ব্লগকে লিংক দেয় এবং তা যদি শুধু মানুষ ভিজিট করতে পারে কিন্তু কোনো craler তা ভিজিট করতে পারে না, তবে তা Nofollow Backlink। Nofollow Backlink এর ফলে আপনার ব্লগের ট্রাফিক বাড়ে কিন্তু অথোরিটি বাড়ে না।


 চলুন এবার Backlink তৈরির কিছু পদ্ধতি জানা যাক।


Guest posting


Backlink তৈরির সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো gust posting। Gust post বলতে বুঝয় অন্যের ব্লগের জন্য কন্টেন্ট লেখা এবং সেখানে আপনার ব্লগের লিংক দেয়া।


তবে মনে লক্ষ্য রাখবেন যেন সেই ব্লগের authority আপনার ব্লগের চেয়ে বেশি হয়।


আপনি বিভিন্ন ভাবে google এ search করে gust post এর জন্য ব্লগ খুঁজতে পারেন। যেমনঃ


"আপনার কিওয়ার্ড" + "Guest post"


"আপনার কিওয়ার্ড" + "Write for us"


"আপনার কিওয়ার্ড" + "Share with us"


আপনি এখানে যেসব ব্লগ দেখবেন তাদের owner কে ইমেল করেন যে আপনি তাদের ব্লগে guest post করতে চান।


Broken link খুঁজুন


আপনি এমন কিছু ব্লগ খুঁজতে পারেন যেখানে আগে থেকেই লিংক দেয়া আছে কিন্তু সেই লিংক দেয়া ব্লগগুলো এখন আর নেই।


এমন ব্লগ খুঁজে পেলে আপনি তাদের ইমেইল করতে পারেন এবং বলতে পারেন সেই জায়গায় আপনার ব্লগের লিংক দিতে।


সোসাইল মিডিয়াতে promote করুন


Social signal search engine কে সরাসরি প্রভাবিত করে না, তবে indirectly এটা আপনার ব্লগের ranking বাড়াতে সাহাজ্য করে।


তাই আপনার ব্লগ পোস্টগুলো বিভিন্ন সোসাইল মিডিয়া যেমন facebook, twitter ইত্যাদি প্লাটফর্মে শেয়ার করা শুরু করেন।


কিভাবে আপনি আপনার website থেকে অর্থ উপার্জন করবেন?


এখন আসতেছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন


কিভাবে আপনি আপনার ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জন করবেন?


অর্থ উপার্জন কোনো ব্লগ শুরু করাা প্রধান কারণ। তাহলে আপনি একটি নতুন ব্লগ থেকে কিভাবে অর্থ উপার্জন করবেন?


Confussed??


চিন্তা করবেন না। এখন আমি আপনাকে কিছু best পদ্ধতি বলবো জার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগ থেকে ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।


Ad network ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন


Advertisements ব্যবহার করে কোনো নতুন ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জন করা সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় পদ্ধতি।


সকল নতুন ব্লগারই তাদের প্রথম এবং প্রধান অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে ad network ই ব্যবহার করে।


ইন্টারনেটে এমন অনেক ad network আছেন যার মাধ্যমে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন যেমনঃ Google Adsense, Media.net, Propeller Ads, Infolinks ইত্যাদি।


কিন্তু adsense সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বেস্ট ad network যার মালিক হলো Google.


আপনি যদি ব্লগিং ফিল্ড নতুন হয়ে থাকেন তাহলে নিঃসন্দেহে adsense আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো অপশন হতে পারে।


Google Adsense আপনার ব্লগে ads বসায় এবং যদি আপনার audience সেই ads এ ক্লিক করে বা দেখে তবে আপনি এর জন্য টাকা পাবেন।


Google Adsense আপনার ব্লগে দেখানো প্রতিটি ads এ ক্লিক হওয়ার জন্য $.০১-$৫০.০০ বা তারও বেশি টাকা দেয় যা CPC (Cost Per Click) হিসেবে পরিচিত।


আপনা ব্লগে ads দেখার জন্য এবং ক্লিকের জন্য Google Adsense আপনাকে টাকা দেয়। কিন্তু কথা হলো, কিভাবে আপনি আপনার ব্লগে ads দেখাবেন?


আপনি যখন আপনার ব্লগ পাবলিস করবেন এবং ভালো কিছু কন্টেন্ট শেয়ার করবেন তখন আপনি adsense এর জন্য আবেদন করতে পারেন।


আবেদন করার পর Google Adsense এর লোকেরা আপনার ব্লগটি দেখবে এবং যদি আপনার ব্লগ adsense এর সকল শর্ত পূরণ করে তবে আপনি adsense এর ads দেখাতে পারবেন।


কিন্তু যদি আপনার ব্লগ তাদের সকল শর্ত পূরণ না করে তবে তারা আপনার আবেদন বাতিল করপ দিবে। তাই adsense এ আবেদন করার পর্বে দেখে নিনঃ

  1. আপনার ব্লগের বয়স ১ মাস বা ৩ সপ্তাহ। এর থেকে যদি কম হয় তাহলে আপনি adsense এর approval পাবেন না।

  2. আপনি আপনার ব্লগে ২০-২৫ টি ভলো কন্টেন্ট পানলিস করুন। না হলে google adsense আপনাকে no content error দেবে।

  3. আপনার প্রতিটি ব্লগ পোস্ট কম হলেও ১০০০ word এর হতে হবে।

  4. আপনার ব্লগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেইজ আছে কিনা তা দেখে নিন। যেমনঃ about us, contact us, privacy policy ইত্যাদি।


সাধারণত আবেদনের ১৪-২০ দিনের মধ্যে আপনি মেইল পেয়ে যাবেন যে আপনি আপনার 

ব্লগে Google Adsense এর approval পেয়েছেন নাকি না।


এই ad network গুলো ব্যবহার করে যদি earning করতে চাই তাহলে আপনার ব্লগে পর্যাপ্ত পরিমাণে ট্রফিক থাকতে হবে।


আর যদি আপনি কম ট্রফিক নিয়ে earning করতে চান তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো affiliate marketing।


Affiliate Marketing করে আয়


নতুন ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য Affiliate Marketingও একটি জনপ্রিয় উপায়।


কারণ,


Affiliate Marketing করে অর্থ উপার্জনের জন্য আপনার ব্লগে অনেক বেশি ট্রফিকের প্রয়োজন নেই।


আপনি অল্প পরিমাণ ট্রাফিকের সাথেও affiliate marketing করে ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।


কিন্তু সেটা টার্গেটেড ট্রাফিক হতে হবে।


Affiliate Marketing হলো একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে অন্য করা পণ্য প্রমোট করতে পারেন এবং তা থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।


ইন্টারনেটে এমন অনেক affiliate network আছে যেখানে রেজিষ্টার করে আপনি affiliate marketing করতে পারেন।


Affiliate program এ জয়েন হলে তারা আপনাকে একটি affiliate link দেবে এবং আপনি তা আপনার ব্লগে প্রমোট করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।


Link sell করে অর্থ উপার্জন


Link selling আরেকটি পদ্ধতি, যেখানে আপনি আপনার ব্লগে অন্য ব্লগের link যুক্ত করে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।


কিন্তু link sell করে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার ব্লগকে গ্রো করতে হবে।


আপনি যখন একজন ভালো ব্লগার হবেন এবং আপনার ব্লগে যখন অনেক ট্রাফিক আসবে তখন আপনি অন্য ব্লগারদের থেকে অনেক মেইল পাবেন, যে আপনি তাদের ব্লগের লিংক আপনার ব্লগে যুক্ত করুন।


এবং তখন আপনি এর জন্য অনেক টাকা নিতে পারবেন।


Conclusion


আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন "কিভাবে আপনি ২০২১- এ ব্লগিং শুরু করবেন?"


বর্তমান সময়ে সকল মানুষ ব্লগিং শুরু করছে এ আশায় যে তারা এ থেকে ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পারবে।


কিন্তু দুঃখের কথা হোল, একটি ব্লগ শুরু করা যতটা সহজ তা থেকে অর্থ উপার্জন করা ততটা সহজ নয়। আপনাকে এর জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যেতে হবে এবং ধৈর্য্য রাখতে হবে।


এই গাইডটি niche selection থেকে শুরু হয়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে ব্লগ পোস্ট লিখে তা থেকে অর্থ উপার্জনের কথা তুলে ধরা হয়েছে


আশা করি আপনার এই গাইডটি ভালো লেগেছে।


এখন আপনি আপনার ব্লগ শুরু করতে পারেন এবং তা থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। উপরে আমি আপনাকে বলেছি কিভাবে আপনি আপনার ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।


মনে রাখবেন শেখা কখনোই শেষ করা যাবে না এবং SEO প্রতিদিনই পরিবর্তন হতে থাকে, যা সাধারণ সার্চ দিয়ে শিরু হয়ে এখন ভয়েস সার্চ চলে এসেছে।


তাই আমাদের ব্লগ পোস্টগুলো পড়ুন এবং আমাদের social media platform এ জয়েন করুন। এখানে আমি আপনাকে seo, blogging, digital marketing related সকল তথ্য শেয়ার করব।


যদি এই পোস্টটি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনি এটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। যাতে তারাও ব্লগিং সম্পর্কে জানতে পারে।


এখন আপনি আমাকে comment এ বলুন এই ব্লগ পোস্টটি আপনার কেমন লেগেছে এবং আপনি কেমন ব্লগ শুরু করতে যাচ্ছেন?

Post a Comment

0 Comments